Tips

অনলাইনে ভোটার আইডি কার্ড ডাউনলোড ও ভুল সংশোধন ২০২২

NID Download Online: অনলাইনে ভোটার এনআইডি কার্ড ডাউনলোড করার উপায় খুঁজে থাকেন কিন্তু সহজ উপায় পাননি ?অনলাইনে ভোটার আইডি কার্ড বের করতে হলে আপনাকে কিছু পদ্ধতি অবলম্বন করতে হবে এবং কিছু ডকুমেন্ট প্রয়োজন হবে । ভোটার আইডি কার্ড নম্বর দিয়ে অনলাইনে আপনার হাই রেজুলেশন অর্থাৎ ক্লিয়ার ভোটার আইডি কার্ড বের করতে পারবেন । যে ভোটার আইডি কার্ড দিয়ে বাংলাদেশের সকল কাজে ব্যবহার করতে পারবেন । যেমনঃ চাকুরীর,ড্রাইভিং লােইসেন্সে এছাড়া  অনান্য কাজে আমাদের ভোটার আইডির প্রয়োজন পরে । যখন ভোটার আইডি নিবন্ধন করার সময় আমাদের পিতা,মাতার ভোটার আইডি কার্ড এর নম্বর ও অনান্য ‍ইনফরফেমন নেওয়া হয় এবং নিবন্ধন ফরম পূরন করার পর আপনাকে একটি টোকেন দেওয়া হবে, টোকেন এর উপরে একটা নম্বর দেওয়া হবে যে নম্বর দিয়ে আপনার ভোটার আইডি কার্ড অনলাইনের মাধ্যমে ডাউনলোড  অথবা ভোটার আইডি কার্ড চেক করতে পারবেন।

আমার ভোটার আইডি কার্ড দেখতে চাই?

NID Download Online: আমার ভোটার আইডি কার্ড দেখতে চাই এটি অনেকেই খুুঁজে থাকেন এবং অনেকই এই প্রশ্নটি করে থাকেন কিন্তু প্রশ্নটির সমাধান পাননি, তাদের জন্য মূলত আমাদের পোষ্ট করা । আপনার ভোটার আইডি কার্ড দেখতে চাইলে আপনাকে অব্যশই বাংলাদেশী নাগরিক ও ভোটার হতে হবে। তারপরে বাংলাদেশ নির্বাচন কমিশনের অফিশিয়াল ওয়েবসাইট ভিজিট করতে হবে এবং প্রয়োজনীয় কিছু তথ্য দিয়ে পেতে পারেন আপনার ভোটার আইডি কার্ড । ভোটার আইডি কার্ড দেখতে চাইলে/ভোটার আইডি কার্ড চেক করার উপায় জানতে, আমাদের দেওয়া পদ্ধতি অনুসরন করুন।

নতুন আইডি কার্ড কিভাবে দেখব

ভোটার আইডি কার্ড চেক করার উপায়ঃ নতুন ভোটার হবার ২/৩ মাসের ভিতর আপনার নতুন আইডি কার্ড দেখতে পারবেন ডাউনলোড করতে পারবেন । সাধারনত যারা নতুন ভোটার হয়ে থাকেন তাদের কে সময় আপনাদের নিজ উপজেলায় গিয়ে যথাযথ সময়ে ভোটার আইডি কার্ড সংগ্রহ করা লাগতো । তবে বর্তমানে আপনার ভোটার আইডি কার্ড এর মূল কপি সংগ্রহ করতে আপনার নিজ এলাকায় যাওয়ার প্রয়োজন নেই । পৃথিবীর যে কোন প্রান্তে বসে, অনলাইনে ভোটার আইডি ডাউনলোড করতে পারবেন । তবে বর্তমান এ নির্বাচন কমিশনের ওয়েবসাইটে আপডেট করায় আইডি কার্ড ডাউনলোড করতে হলে,  কয়েকটি তথ্য প্রয়োজন হবেঃ

আরো পড়ুনঃ জন্ম নিবন্ধন যাচাই bris birth certificate অনলাইন কপি ডাউনলোড ২০২১

১. ভোটারের থানা, জেলা ও বিভাগ।
৩. ফরম নম্বর/ এনআইডি নম্বর
২. ভোটারের ফেস স্ক্যান Nid Wallet এর মাধ্যমে।

ভোটারের থানা, জেলা ও বিভাগঃ  আপনি যে ভোটার হয়েছেন সেই জেলার নাম, আপনি যেই থানার ভিতরে ভোটার হয়েছেন সেই থানার নাম ও বিভাগ প্রয়োজন হবে। তাই অনলাইন থেকে ভোটার আইডি কার্ড ডাউনলোড করতে এ সকল তথ্য প্রয়োজন হবে, অন্যথায় ভুল তথ্য দিয়ে ৩ বারের বেশি সাবমিট করলে আপনার একাউন্ট লক হয়ে যেতে পারে।

Nid Wallet:  এনআইডি ওয়াললেট কি? এনআইডি ওয়াললেট ভোটার ফেস শনাক্ত করে থাকে, যেমন আপনার ভোটার আইডি কার্ডের অথবা ফরমের নম্বর, বয়স দিয়ে সাবমিট করলে, একটি নতুন পেজ আসবে যেখানে আপনার বর্তমান ঠিকানা ও স্থায়ী ভেরিভাই করা হবে। বর্তমান ও স্থায়ী ঠিকানা ভেরিফাই হলে আবারও আপনাকে নতুন পেজে নিয়ে যাবে, ভোটার হওয়ার সময় আপনি যেই নম্বর দিয়েছেন ওই নম্বরে একটি ওটিপি কোড পাঠানো হবে, কোডটি ফরমে ইনস্টার্ট করতে হবে। পরবর্তীতে এনআইডি ওয়াললেট পেজে নিয়ে যাবে, যেখানে এনআইডি ওয়াললেট অ্যাপ ওপেন করতে হবে, এনআইডি ওয়াললেট পেজে থাকা বারকোড এনআইডি ওয়াললেট অ্যাপ দ্বারা স্ক্যান করতে হবে, এরপর এনআইডি ওয়াললেট অ্যাপ দ্বারা ভোটারের ফেস ক্যামেরা দ্বারা স্ক্যান করতে হবে, স্ক্যান সম্পন্ন হলে এনআইডি ভোটারের এনআইডি প্রোফাইলে নিয়ে যাবে চাইলে আপনি সেখান থেকে ভোটার আইডি কার্ড/NID Card সংগ্রহ করতে পারেন।

ভোটার আইডি কার্ড অনলাইন কপি ডাউনলোড /সংগ্রহ করার সহজ উপায়

আমাদের পোষ্টেশ শুরুতেই আলোচনা করেছি  অনলাইনে ভোটার আইডি আইডি কার্ড ডাউনলোড  করতে যে সকল তথ্য প্রয়োজন। অনলাইনে ভোটার আইডি আইডি কার্ড ডাউনলোড করতে চাইলে,  নিম্নের কয়েকটি ধাপ অনুসরন করুনঃ

  • বাংলাদেশ নির্বাচন কমিশন ওয়েবসাইট ভিজিট করুন
  • Claim Account পেজ ভিজিট করুন
  • Claim Account পেজে আপনার ভোটার ফরম নম্বর, বয়স ও ক্যাপচা দিয়ে সাবমিট করুন।
  • নিউ পেজে আসবে, আপনার স্থায়ী ও বর্তনমান ঠিকান দিয়ে সাবমিট করুন, পরবর্তী পেজে নিয়ে যাবে।
  • ভোটার হবার সময় যে নম্বর দিয়েছেন নম্বরে OTP পাঠানো হবে যা ভেরিভাই করতে হবে, বা চাইলে অটিপি পাঠানোর জন্য নম্বর পরিবর্তন করতে পারবেন। মনে রাখবেন, যে নম্বর দিয়ে ওটিপি ভেরিভাই করবেন ওই নম্বর আপনার এনআইডি প্রোফাইলের সাথে সংযুক্ত হবে। যদি আপনার ইউজার আইডি বা পাসওয়ার্ড ভুলে যান, পরবর্তীতে পাসওয়ার্ডর পুনরুদ্ধার  করতে পারবেন।
  • নিম্নের ছবির মত আপনার সামনে, একটি পেজ ওপেন হবে Nid Walletঅ্যাপ দ্বারা QR কোড স্ক্যান করতে হবে।
    QR ক্যান শেষ হলে, যার ভোটারের ফেস স্ক্যান করুন, ভোটারের ফেস স্ক্যান সম্পন্ন হলে ভোটারের প্রোফাইলে রিডাইরেক্ট করে নিয়ে যাবে।
  • ভোটারের প্রোফাইলে গিয়ে  সহজে ডাউনলোড বাটন থেকে ভোটার আইডি কার্ড সংগ্রহ করতে পারবেন।

আরো পড়ুনঃ হারিয়ে যাওয়া স্মার্ট ফোন খুঁজে পাওয়ার সহজ উপায় ২০২১

বিঃদ্রঃ অনলাইনে ভোটার আইডি কার্ড ডাউনলোড করতে সমস্যা হলে, নিম্নের স্কিনশর্ট দেখতে পারেন।

অনলাইনে ভোটার আইডি কার্ড সংশোধন

আমরা পূর্বে যারা ভোটার হয়েছি  তারা তাদের আইডি কার্ড কোন ভুল থাকলে আপনার  নিজ উপজেলার নির্বাচন অফিসে গিয়ে ভোটার আইডি কার্ড ভুল সমাধান করতে হতো, সঙ্গে নির্ধারিত ফি সোনালি বাংকের চালান ফরমে মাধ্যমে জমা দিতে হতো । কিন্তু, বর্তমানে আপনার ভোটার আইডি কার্ড এর ভুল সমাধান করতে পারবেন, নির্বাচন কমিশনের অফিশিয়াল ওয়েব সাইট থেকে। তবে আপনার এনআইডি কার্ডের ভুল সংশোধনের জন্য ফি প্রদান করতে হবে, যা আপনি বিকাশ/রকেটের মাধ্যমে করতে পারবেন।

আরো পড়ুনঃ আপনার সিম কার নামে রেজিষ্ট্রেশন করা তা জেনে নিন ২০২১

ভোটার আইডি কার্ড য়োমেট্রিক আইডেনটিফিকেশন ২০০৮ সাল থেকে চালু হয়। যারা ভোটার হয়েছেন কিন্তু পিতা, মাতা বা আপনার নিজের নামে কিছু ভুল আছে যা সংশোধন করা অতি জরুরী। তারা কয়েকটি পদ্ধতি ও উপযুক্ত কিছু উপযুক্ত দলিলাদি দাখিল করতে হবে,ভোটার আইডি কার্ড সংশোধন করার আবেদনের পদ্ধতি নিম্নরূপেঃ

  • রেজিষ্ট্রেশন পেজ ভিজিট করুন
  • পূর্বে রেজিষ্ট্রেশন করে থাকলে, লগিন করুন আপনার প্রোফাইল একাউন্টে
  • আপনার একাউন্ট রেজিষ্ট্রেশন/লগিন সম্পন্ন হলে, নিম্নে প্রদর্শিত স্কিনশর্ট এডিট বাটনে প্রবেশ করুন
  • এডিট বাটনে প্রবেশ করে, আপনার প্রোফাইলের ভুল সংশোধন করুন এবং পরবর্তী পেজে প্রবেশ করুন।
  • ট্যানজেকশ ধাপ প্রবেশ করার আগে ফি প্রদান করতে হবে, সে জন্য বিকাশ অ্যাপে লগিন করে, প্রে বিল অপশনে গিয়ে সার্চ করুন nid service এবং বিল পে করুন।
  • কত টাকা পে করবেন জানেন না সমস্যা নেই, এই অপশন থেকে Nid Fees Calculation  করে নিন, তারপর ক্যালকুলেশন অনুযায়ী পেমেন্ট করুন।
  • ট্যানজেকশ সফল হওয়ার পর, ট্যানজেকশ  ধাপ অতিক্রম করুন পরবর্তী পেজে কাগজ পত্রের পিডিএফ ফাইল আপলোড করতে হবে তবে, একএক সমস্যার জন্য এক এক ধরনের কাগজপত্র দাখিল করতে হবে বিস্তারিত নিম্নে পড়ুন।

আরো পড়ুনঃ অনলাইনে টিন সার্টিফিকেট তৈরি এবং ডাউনলোড করুন | tin certificate

এনআইডি নিজের নাম কারেকশনঃ আপনার ভোটার আইডি কার্ডে আপনার নিজের নামে ভুল রয়েছে, তা কিভাবে সংশোধন করবেন ও কি কি কাগজপত্র দাখিল করতে হবেঃ

১. এসএসসি সার্টিফিকেট
২. জন্ম সনদ অনলাইন কপি
৩. যদি আপনার এসএসসি সার্টিফিকেট না থাকে, সেক্ষেত্রে ১০৫ নির্বাচন কমিশনের হেল্প নম্বরে ফোন করে জেনে নিতে পারেন, আপনার সমস্যার জন্য কি কি দলিলাদি দাখিল করতে হবে।

এনআইডি কার্ডের পিতা/মাতার নাম সংশোধনঃ আপনার ভোটার আইডি কার্ডে পিতা/মাতার নামে ভুল রয়েছে, তা কিভাবে সংশোধন করবেন ও কি কি কাগজপত্র দাখিল করতে হবেঃ

১. এসএসসি সার্টিফিকেট
২. জন্ম সনদ অনলাইন কপি
২. পিতা/মাতার এনআইডি কার্ড
৩. যদি আপনার এসএসসি সার্টিফিকেট না থাকে, সেক্ষেত্রে ১০৫ নির্বাচন কমিশনের হেল্প নম্বরে ফোন করে জেনে নিতে পারেন, আপনার সমস্যার জন্য কি কি দলিলাদি দাখিল করতে হবে।

আপনার প্রয়োজনীয় কাগজপত্র আপলোড করার পরে, পরবর্তী “নিশ্চিত করুন” পেজে প্রবেশ করুন, আপনার এনআইডি কার্ডে পূর্বে কি নাম ছিল এবং কি বর্তমানে কি পরিবর্তন করেছেন তার একটি অনুলিপি দেখতে পাবেন, চাইলে কনর্ফাম বাটনে ক্লিক করুন, ভোটার আইডি কার্ড সংশোধন সাবমিট হয়ে হয়ে যাবে। ২/৩ মাস রিভিউতে থাকতে ভোটার আইডি কার্ডের ভুল সংশোধনের জন্য যদি, উপযুক্ত দলিলাদি দাখিল করে থাকেন সর্বোচ্চ ৩/৬ মাসের ভিতরে আপনার NID কার্ডের ভুল সংশোধন করে দিবে নির্বাচন কমিশন কতৃপক্ষ।

শেষ কথাঃ অনলাইনে ভোটার আইডি কার্ড ডাউনলোড ও ভুল সংশোধন করার নিয়ম আশাকরি আপনাদের ভালো লেগেছে। আজকের পোষ্ট থেকে আমরা ফরম দিয়ে ভোটার আইডি কার্ড ডাউনলোড ও ভোটার আইডি কার্ডের ভুল সংশোধন করার নিয়ম জানতে পেরেছি। তাই আমাদের সাইটে কি ধরনের আর্টিকেল চাচ্ছেন তা আমাদেরকে কমেন্টে জানতে পারেন, আমরা আপনাদের পছন্দের আর্টিকেল দেওয়ার চেষ্টা করবো।

Related Articles

2 Comments

  1. ভাইয়া অনেকবার চেষ্টা করে দেখেছি কিন্তু সমস্যার সমাধান পাই নি। এই মুহুর্তে আমার কি করা উচিত?

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Back to top button